দ্বিতীয় শাখা খুলুন, প্রথমটা না হারিয়ে
ভালো ফার্মেসিগুলোর হোঁচট খাওয়ার জায়গা দ্বিতীয় শাখা। নতুন দোকান ব্যর্থ হয় বলে নয় — মালিক, যিনি নিজেই ছিলেন সিস্টেম, এখন একসাথে এক জায়গাতেই থাকতে পারেন বলে। এক নম্বর দোকানে যা আপনার মাথায় থাকত, দুই নম্বরে তাকে থাকতে হবে অন্য কোথাও।
এক দোকানে মালিকই নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা। ড্রয়ার আপনার চোখের সামনে, স্টক আপনার জানা, বাকিদার কাস্টমারদের আপনি চেনেন, দিন খারাপ গেলে টেরও পান। এর কোনোটাই দুটো ঠিকানায় ছড়ায় না। দ্বিতীয় শাখা খোলার দিন প্রতিটি প্রশ্ন দু’ভাগ হয়ে যায়: বিক্রিটা কার? কোন দোকানের স্টক কমছে? কোন ড্রয়ারে ঘাটতি? আর বেশিরভাগ দুই-দোকানি মালিকের সৎ উত্তর: “পরের বার গিয়ে দেখে বলব।”
মেডিফার্মা২৪ গোড়া থেকেই মাল্টি-শপ — একই সিস্টেমের দুটো কপি নয়; এক ব্যবসা, ভেতরে দুটো (বা দশটা) দোকান।
এক লগইন, প্রতিটি দোকান, আলাদা খাতা
প্রতিটি শাখা চলে নিজের দোকান হয়ে: নিজের স্টক, নিজের কাউন্টার, নিজের কাস্টমার আর বাকি, নিজের ড্রয়ার। বদলান এক সিলেক্টরে — একই লগইন, অথচ প্রতিটি দোকানের ছবি পরিষ্কার:
- স্টক শাখা-ধরে। ক নম্বর দোকানের তাক আর খ নম্বরের তাক আলাদা সত্যি — গণনা, মেয়াদ, রিঅর্ডার মিশে যায় না।
- টাকা শাখা-ধরে। প্রতিটি দোকানের বিক্রি, খরচ, ড্রয়ার আলাদা দাঁড়িয়ে — সবল শাখা দুর্বলকে আড়াল করতে পারে না।
- খাতা শাখা-ধরে — আবার মিলিয়েও। লাভ-ক্ষতি আর ব্যালান্স শিট দোকান-ধরে, সাথে সব দোকান মিলিয়ে সমন্বিত চিত্র। আপনি দেখেন প্রতিটি শাখার সত্যি এবং পুরো ব্যবসার সত্যি।
মিলিত রিপোর্টেই দুই-দোকানের প্রশ্নগুলো সহজ হয়ে যায়: দোকান-ধরে বিক্রি, ক্রয়, স্টকের মূল্য — পাশাপাশি, যেকোনো তারিখের সীমায়। যে তুলনা আগে জোড়া দিতে হতো দুটো খাতা আর একটা ফোনকলে, এখন তা একটা ফিল্টার।
ম্যানেজারের সমস্যা — সমাধান রোলে
দ্বিতীয় শাখার কঠিন অর্ধেকটা তথ্য নয় — দায়িত্ব ছাড়া। নতুন শাখার এমন ম্যানেজার দরকার, যে দোকানটা চালাতে পারবে অথচ সবকিছু চালাতে পারবে না। মেডিফার্মা২৪-এর রোল সে দুশ্চিন্তাকে সেটিংসে নামিয়ে আনে: শাখা-ম্যানেজার নিজের দোকানে পূর্ণ ক্ষমতা, অন্যটায় উঁকিও নয়; বিক্রেতা বিল করে, লাভ দেখে না; আপনি দেখেন সব, সবখানে। (রোল নিয়ে আলাদা লেখা — এই যে।)
এরপর বাড়া দেখতে যেমন লাগে
তৃতীয়-চতুর্থ শাখার নিয়মও দ্বিতীয়টার মতোই: দোকান খুলুন, ওপেনিং স্টক গুনুন, মানুষদের রোল দিন — সেই সন্ধ্যাতেই সে হাজির আপনার মিলিত রিপোর্টে। মালিকের কাজ বদলে যায় সব জায়গায় থাকা থেকে সবকিছু পড়ায় — চক্কর দেওয়ার বদলে দোকান-ধরে ড্যাশবোর্ডের দশ মিনিট।
দোকান বাড়ে। “কমবেশি” বাড়ে না।